মিয়ানমারের পক্ষ নিলো কেবল চীন-ফিলিপাইন

রাখাইনে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত গণহত্যা চালিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী, এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে ভয়াবহ এ নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনার আন্তর্জাতিক তদন্ত ও বিচারের প্রস্তাব ৩৭-২ ভোটে গৃহীত হয়েছে।এ প্রস্তাবকে একতরফা আখ্যা দিয়ে ভোটাভুটির দাবি জানিয়ে এর বিপক্ষে ভোট দিতে সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানায় চীন। কিন্তু চীনের আহ্বানে ফিলিপাইন ছাড়া আর কোনো দেশ সাড়া দেয়নি। ফলে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিয়েছে ৩৭টি দেশ। আর বিপক্ষে কেবল চীন ও ফিলিপাইন।এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে ভারত, জাপান, নেপাল, কঙ্গো, ক্যামেরুন, অ্যাঙ্গোলা, কিউবা ও ইউক্রেন।জাতিসংঘে ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমান ও অন্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শিরোনামে প্রস্তাবটি তোলে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক বিধান ও আন্তর্জাতিক বিচারপ্রক্রিয়া অনযায়ী রোহিঙ্গাদের হত্যা-নির্যাতন এবং নারীদের ওপর যৌন নিপীড়নের বিচার আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি) এবং ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) নেয়ার বিষয়টি উৎসাহিত করা হয়েছে।

এর আগে এরকম অনেক গুপ্তচরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টের এই ধরনের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।কংগ্রেসম্যান রাজা কৃষ্ণমূর্তি এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আশঙ্কা যে প্রেসিডেন্ট ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক কোনও ব্যবস্থা নেন কি না।গত ২৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তাতে তিনি সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করার কথা বলেন। না হলে তিনি ইউক্রেনকে আর্থিক সহায়তা বন্ধের হুমকি দেন। ফোনকলের ধারণ করা অংশ গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউজ।এতে দেখা যায়, ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি এবং মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই তদন্তকাজ করতে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন।জো বাইডেন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন। বাইডেনের বিরুদ্ধে বিদেশি সরকারকে তদন্তের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি মঙ্গলবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিনিধি পরিষদের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাম্পকে অভিশংসনের মুখে পড়তে হতে পারে। যদিও সিনেটে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় ট্রাম্প অভিশংসিত হবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares