প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিল গেটসের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা ও দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার বিল গেটস। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল লোটে নিউইর্য়ক প্যালেসে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর ফাতৌ বেনসৌদা, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডি এবং ইউনেস্কোর সাবেক মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, ন্যাশনাল অ্যাডভাইজারি কাউন্সিল অব নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম অব বাংলাদেশের চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন: বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাতব্য সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ৫১ বিলিয়ন ডলারের বেশি তহবিল রয়েছে সংস্থাটিতে। বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশে দারিদ্র বিমোচন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে সংস্থাটি। যুক্তরাষ্ট্রেও যাতে কেউ শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করে তারা।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সেখানে ভাষণ দেবেন তিনি।

এর আগে এরকম অনেক গুপ্তচরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টের এই ধরনের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।কংগ্রেসম্যান রাজা কৃষ্ণমূর্তি এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আশঙ্কা যে প্রেসিডেন্ট ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক কোনও ব্যবস্থা নেন কি না।গত ২৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তাতে তিনি সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করার কথা বলেন। না হলে তিনি ইউক্রেনকে আর্থিক সহায়তা বন্ধের হুমকি দেন। ফোনকলের ধারণ করা অংশ গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউজ।এতে দেখা যায়, ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি এবং মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই তদন্তকাজ করতে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন।জো বাইডেন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন। বাইডেনের বিরুদ্ধে বিদেশি সরকারকে তদন্তের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি মঙ্গলবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিনিধি পরিষদের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাম্পকে অভিশংসনের মুখে পড়তে হতে পারে। যদিও সিনেটে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় ট্রাম্প অভিশংসিত হবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares