নুর: ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়টি ‘স্পর্শকাতর’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়টি ‘স্পর্শকাতর বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নূরুল হক নুর। বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।নুর বলেন, ‘ডাকসু উগ্রবাদী ধর্মভিত্তিক ও মৌলবাদী ছাত্র সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা বিভিন্ন সময়ে ধর্মকে পূঁজি করে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেয়। তবে ব্যাপারটি ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের নয়। কারণ সংবিধান অনুযায়ী সেটা আমরা পারি না। এটি একটি ‘স্পর্শকাতর’ বিষয়।’ডাকসু ভিপি বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ে যেসব রাজনৈতিক দল দেশের আইন-কানুন, সংবিধানের নিয়ম-নীতি মেনে চলে তাদের নিষিদ্ধের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।’এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধায় ডাকসুর কার্যনির্বাহী কমিটির এক বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হচ্ছে বলে জানান ডাকসুর সভাপতি ও ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।বৈঠক শেষে মো. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ঢাবিতে ধর্মভিত্তিক, সাম্প্রদায়িক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে ডাকসুতে সবাই একমত হয়েছে। ডাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।

এর আগে এরকম অনেক গুপ্তচরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টের এই ধরনের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।কংগ্রেসম্যান রাজা কৃষ্ণমূর্তি এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আশঙ্কা যে প্রেসিডেন্ট ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক কোনও ব্যবস্থা নেন কি না।গত ২৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তাতে তিনি সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করার কথা বলেন। না হলে তিনি ইউক্রেনকে আর্থিক সহায়তা বন্ধের হুমকি দেন। ফোনকলের ধারণ করা অংশ গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউজ।এতে দেখা যায়, ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি এবং মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই তদন্তকাজ করতে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন।জো বাইডেন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন। বাইডেনের বিরুদ্ধে বিদেশি সরকারকে তদন্তের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি মঙ্গলবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিনিধি পরিষদের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাম্পকে অভিশংসনের মুখে পড়তে হতে পারে। যদিও সিনেটে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় ট্রাম্প অভিশংসিত হবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares