নানা চাপ সত্ত্বেও ইরানে অস্ত্র-শস্ত্রের প্রদর্শনী

আমেরিকা ও ইউরোপ এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মুসলিম দেশের নানা চাপ সত্ত্বেও ইরানে চলছে অস্ত্র-শস্ত্রের প্রদর্শনী। দেশটির পবিত্র প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, ২২ সেপ্টেম্বর ছিল ইরানের ওপর ইরাকের তৎকালীন সাদ্দাম সরকারের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ শুরুর বার্ষিকী। ইরানে প্রতিবছর এ দিন থেকে শুরু হয় পবিত্র প্রতিরোধ সপ্তাহ।ইরানি গণমাধ্যম বলছে, আমেরিকার ইশারা এবং সৌদি আরব ও কুয়েতের আর্থিক মদদে ইরাক সেদিন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর হঠকারিতা দেখিয়েছিল। আট বছরের টানা যুদ্ধ শেষ হয় আগ্রাসী ইরাকি বাহিনীর শোচনীয় পরাজয়ের মধ্য দিয়ে। আর ইরান লাভ করে মর্যাদাপূর্ণ বিজয়।খবরে বলা হয়েছে, চলতি বছর পবিত্র প্রতিরোধ সপ্তাহ হিসেবে তেহরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চত্বর ময়দান বাহারস্তানে আয়োজন করা হয় ইরানি অস্ত্র-শস্ত্রের প্রদর্শনী।উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিকভাবে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে আমেরিকা একতরফাভাবে বেরিয়ে গিয়ে তেহরানের ওপর যখন একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে তখন এ ধরনের প্রদর্শনীর আয়োজন করছে ইরান।

এর আগে এরকম অনেক গুপ্তচরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টের এই ধরনের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।কংগ্রেসম্যান রাজা কৃষ্ণমূর্তি এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আশঙ্কা যে প্রেসিডেন্ট ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক কোনও ব্যবস্থা নেন কি না।গত ২৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তাতে তিনি সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করার কথা বলেন। না হলে তিনি ইউক্রেনকে আর্থিক সহায়তা বন্ধের হুমকি দেন। ফোনকলের ধারণ করা অংশ গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউজ।এতে দেখা যায়, ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি এবং মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই তদন্তকাজ করতে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন।জো বাইডেন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন। বাইডেনের বিরুদ্ধে বিদেশি সরকারকে তদন্তের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি মঙ্গলবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিনিধি পরিষদের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাম্পকে অভিশংসনের মুখে পড়তে হতে পারে। যদিও সিনেটে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় ট্রাম্প অভিশংসিত হবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares