ডাকসু সচল করা প্রসঙ্গে যা বললেন ভিপি নূর

নির্বাচনের ছয় মাস পরও ইশতেহার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কিছুই করতে পারেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, লেজুরবৃত্তি রাজনীতি ও গণরুম সংকট সমাধানে কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ। সরকারি দলের ছাত্রসংগঠনের সদিচ্ছা ছাড়া ডাকসুকে সচল করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন সাবেক নেতারা।

প্রায় ২৮ বছর পর চলতি বছরের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন। ডাকসু নির্বাচনের সময় শিক্ষার্থীদের কাছে গণরুম সংকট, পরিবহন সমস্যা, ক্যান্টিনের মানোন্নয়নসহ বেশ কিছু ইশতেহার দিয়েছিলেন ছাত্র প্রতিনিধিরা।

নির্বাচনের পর ক্যাম্পাসে কিছু সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ভাড়ার বিনিময়ে সাইকেল চালুর সিদ্ধান্ত হলেও শিক্ষার্থীদের মৌলিক দাবি বাস্তবায়নে গত ছয় মাসেও কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ।

শিক্ষার্থীরা জানান, প্রত্যেকটা দলই সমস্যা নিয়ে অনেক ইশতেহার দিয়েছিল। কিন্তু মূল সমস্যা নিয়ে ডাকসু ঠিকভাবে কাজ করতে পারিনি।

ডাকসু সচল করার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রসংসদের নেতারা। তবে ভিপি নুরুল হক নূর বলছেন, ‘ছাত্রসংসদে ছাত্রলীগের আধিক্য থাকায় এখনো ডাকসুকে সচল করা সম্ভব হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধি হলে অন্তত এ সমস্যার প্রতিকার হবে। যারা রাজনৈতিক দাসত্ব শিক্ষার্থীদের দিয়ে করিয়ে আসছে তারাই ২৩ জন কিন্তু নেতৃত্বে রয়েছেন।’

ডাকসু সদস্য তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘উপাচার্যকে ১৫ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছি। ১৫ দিনের মধ্যে যদি কোনো দৃশ্যমান কিছু করতে না পারেন তাহলে আমরা ভিসি স্যারের বাসায় থাকব।’

ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘ডাকসুকে সচল করতে প্রয়োজন ইশতেহার বাস্তবায়ন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares