কাশ্মির: নিউ ইয়র্কে পাকিস্তানের ভারতবিরোধী ডিজিটাল প্রচার

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে কাশ্মির ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে ডিজিটাল প্রচার চালিয়েছে পাকিস্তান। টাইমস স্কয়ারে লাগানো ওই ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল- ‘কাশ্মিরের পাশে দাঁড়াও (স্ট্যান্ড উইথ কাশ্মির)’। তবে এর পাশাপাশি পাকিস্তানের বেলচিস্তানে মানবাধিবার লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও যানবাহনে প্রচার চালানো হয়।খবরে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে নয়াদিল্লিকে টার্গেট করে ওই প্রচার চালায় ইসলাবাদ। ডিজিটাল ব্যানারের আলোতে লেখা উঠছিল- ‘কাশ্মিরে মানবাধিকার ফিরিয়ে আনা হোক, কাশ্মিরিদের পাশে দাঁড়ান, কাশ্মিরকে মুক্ত করুন’।অন্যদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে,

শুক্রবার সকাল থেকেই নিউ ইয়র্কের ব্যস্ত রাস্তায় ট্যাক্সি ও ট্রাকের ভিড় দেখা যায়। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নিগ্রহ নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে সেই সব গাড়িতে করে এসেছিলেন বহু মানুষ। জাতিসংঘ সদর দফতরের আশপাশেও পৌঁছে যায় ট্যাক্সি। কোনো গাড়িতে লেখা, ‘পাকিস্তান: জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদের বাইরে থাকা একটা দেশ’, কোথাও লেখা, ‘পাকিস্তানে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চাই।’ভারতীয় গণমাধ্যম আরো বলছে, পাকিস্তানের ওই ডিজিটাল ব্যানারের অপচয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ টাইমস স্কয়ারে ৩০ সেকেন্ডের স্পটের জন্য বছরে খরচ হয় মোটামুটি ৩৮ লক্ষ ডলার, যা প্রায় ৫৯.৬০ কোটি পাকিস্তানি রুপি।

তাদের দাবি, খাতুন-ই-আল (পাকিস্তানের ফার্স্ট লেডি)-এর মধ্যে আরবীয় মুসলিম পুরাণে কথিত দ্বৈত সত্ত্বা রয়েছে। তার আচরণে এমন কিছু দেখা যায়, যা আর পাঁচজন সাধারণের মধ্যে নেই।এই খবর চাউর হতেই পাকিস্তানের অনেক সংবাদমাধ্যম ঘটনার আরও গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করে। একটি পাক টিভি চ্যানেলের দাবি, প্রথম প্রথম নাকি অনেক কর্মচারী বুশরাকে ভয় পেতেন। বেশ কয়েকজন এসব দেখে ভয় পেয়ে চাকরি ছেড়েও চলে গেছেন।উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ছয় মাস আগেই রেহাম খানের সঙ্গে ডিভোর্স সেরে বুশরাকে বিয়ে করেন ইমরান খান। বিয়ের পর থেকে সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়েই চলেন তিনি। প্রকাশ্যে বার হন কম। বের হলেও আপাদমস্তক বোরখায় ঢাকা। এ নিয়েও কম সমালোচনা হয়নি। কিন্তু এবার নতুন খবর, ইমরানের স্ত্রীর মধ্যে অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares